বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় হস্তক্ষেপ না করার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগের

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় হস্তক্ষেপ না করার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগের

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,যুক্তরাষ্ট্র সিনিয়র প্রতিনিধি: নথি ফাঁসের তদন্তের ঘটনায় তথ্যের উৎস জানার জন্য সাংবাদিকদের ইমেইল বা ফোন রেকর্ড আর জব্দ করা হবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ।

শনিবার সিএনএন এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংবাদিকদের ‘সোর্স’ চিহ্নিত করতে যোগাযোগের তথ্যের জন্য জোর খটানোর প্রবণতা বাড়ার খবরের মধ্যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের তরফ থেকে এই নীতি পরিবর্তনের ঘোষণা এল।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক অ্যান্থনি কোলি বলেন, প্রেসিডেন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী বিচার বিভাগ তার দীর্ঘদিনের চর্চায় পরিববর্তন এনে ফাঁস হওয়া তদন্তের বিষয়ে সোর্সের তথ্য জানতে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের আইনি বাধ্যবাধকতা মুখোমুখি করবে না।
এক দিন আগে নিউ ইয়র্ক টাইমসের আইনজীবী ডেভিড ম্যাকগ্র জানান, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রশাসনও তাদের চারজন প্রতিবেদকের ইমেইলের তথ্য চেয়েছিল। আইনজীবী ডেভিড ম্যাক্র জানিয়েছেন, পত্রিকাটির শীর্ষ কয়েকজন নির্বাহীর কাছে এ বছরের শুরুতে প্রতিবেদকদের ইমেইলের তথ্য চাইলেও এ বিষয়ে মুখ খুলতে নিষেধ করেছিল বাইডেন প্রশাসন। ফলে বার্তা কক্ষ বা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদককে তারা বিষয়টি জানাতে পারেননি।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের আইনজীবী জানান, গুগলের কাছ থেকে ম্যাট আপুজ্জো, অ্যাডাম গোল্ডম্যান, এরিক লিচটব্লাউ এবং মিখায়েল শ্মিদ- এই চারজন প্রতিবেদকের ইমেইল চালাচালির তথ্য চেয়েছিল বিচার বিভাগ।

শনিবার এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব জেন সাকি বলেন, অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগ স্বাধীন, ফলে শুক্রবার রাতের আগ পর্যন্ত হোয়াইট হাউসের কেউ এ ধরনের তৎপরতার বিষয়ে জানত না।

তিনি বলেন, অপরাধ মামলার তদন্তে হোয়াইট হাউজ কোনো হস্তক্ষেপ করে না, ফাঁস হওয়া নথির তদন্তের বিষয়ে রিপোর্টারদের তথ্য চেয়ে সমন জারির বিষয়টি প্রেসিডেন্টের দিক নির্দেশনার সঙ্গে যায় না এবং বিচার বিভাগ এটা নিশ্চিত করেছে এ বিষয়ে তারা আর সামনে বাড়বে না।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ডের অধীনে থাকা বিচার বিভাগ এই চর্চা থেকে বরিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দিলেও নীতিমালায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। যে কারণে প্রশাসন বদল হলে তা আবারও চালু হতে পারে।

শুক্রবার নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৫ জানুয়ারি ওয়াশিংটনের অ্যাটর্নি দপ্তরের আইনজীবীরা একটি সিল করা আদালতের নির্দেশ বের করেন, যেখানে গুগলের কাছে গোপনে ওই পত্রিকাটির চারজন প্রতিবেদকের ইমেইলের তথ্য চাওয়া হয়।
অবশ্য তাতে আপত্তি জানিয়ে গুগলের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইমেইলের তথ্য নেওয়ার বিষয়টি নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com