শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র—ছাত্রীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

আমনের দামে হাসছেন কৃষক

নিজস্ব প্রতিবেদক \
জামালপুরে আমনের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। এ বছর সার কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় আমন ধান চাষে খরচ হয়েছে বেশি। তবে ভালো দাম পেলে লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। এ বছর আমনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি কর্মকর্তা। জানা যায়, জেলার দেওয়ানগঞ্জ, বকশিগঞ্জ, ইসলামপুর, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ, সরিষাবাড়ি ও সদর উপজেলায় আমন ধানের চাষ হয়েছে। এ জেলায় হাইব্রিড, উফসি ও স্থানীয় জাতের ধান চাষ হয়ে থাকে। এ বছর জেলায় ১ লাখ ৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ করা হয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার হেক্টর জমিতে। আমন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৯ হাজার ২৯৪ মেট্রিক টন। সরেজমিন মেলান্দহ উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমাহার। যেদিকে চোখ যাবে শুধু ধান আর ধান। শীতের হালকা কুয়াশা আর অগ্রহায়ণের প্রখর রোদ গায়ে মেখে ধানের গোছাগুলো যেন আরও হৃষ্টপুষ্ট হয়ে উঠেছে। কৃষকরা পরমানন্দে ধান কাটা নিয়ে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। এ বছর আমন চাষে সার কীটনাশকের দাম বৃদ্ধিতে কৃষকের বাড়তি খরচ গুনতে হয়েছে। তবে এসব সমস্যা কাটিয়ে এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। তারা বলেন, গত বছর প্রতি মণ ধান বিক্রি হয়েছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। এ বছর ধানের বাজার ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ দাম অব্যাহত থাকলে কৃষক লাভবান হবে। কৃষক সরকারের কাছে ধানের ন্যায্য মূল্যের দাবি জানান।
মেলান্দহ উপজেলার ভাবকী এলাকার কৃষক বিল্লাহ জানান, আমন আবাদ করে এ বছর বাম্পার ফলন পেয়েছি। তবে গত বছরের চেয়ে আবাদে খরচ হয়েছে দ্বিগুণ। সার কিটনাশক এবং বিদ্যুৎতের দাম বেশি হওয়ায় খরচ বেশি পড়েছে। প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। তারপরেও এ বছর ধানে লাভ হবে বলে তিনি আশা করছেন। উপজেলার চরবানিপাকুরিয়া ইউপির মধ্যেরচর এলাকার ধান চাষি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, ‘বাজারে দাম ভালো রয়েছে। এ বছর ধানে কৃষকের লাভ হবে। খরচ বাদে প্রতি বিঘা জমিতে ১০—১৫ হাজার টাকা লাভ হবে। উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউপির বেলতৈল এলাকার আব্দুল খালেক জানান, এবার ধানের ভালো ফলন হয়েছে। মৌসুমের শুরুতেই ১২শ—১৩শ টাকা দরে ধান বিক্রি হচ্ছে। এ বাজার ঠিক থাকলে ধানে কৃষকের ভালো লাভ হবে। জামালপুর কৃষি অধিদফতরের উপ—পরিচালক কৃষিবিদ জাকিয়া সুলতানা জানান, এ বছর আমনের ফলন ভালো হয়েছে। এরই মধ্যেই ধান কাটা শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত ৭০ ভাগ ধান কাটা হয়ে গেছে। এ বছর জেলায় আমনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com