বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
করোনা ভাইরাসের প্রভাব : সাপাহারে আসছে মৌসুমে আম বাজারজাত করা নিয়ে চাষীরা হতাশ

করোনা ভাইরাসের প্রভাব : সাপাহারে আসছে মৌসুমে আম বাজারজাত করা নিয়ে চাষীরা হতাশ

আমের রাজধানী নামে খ্যাত নওগাঁর সাপাহারে বাগানে বাগানে গাছগুলোতে আমের দোল খেতে দেখা যাচ্ছে। অনুক‚ল আবহাওয়া থাকলে এবারেও গত বছরের ন্যায় আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে আম বাজারজাত করা নিয়ে হতাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন এলাকার আমচাষীরা।

জানা গেছে, প্রতিবছর সাপাহারের আম শুধু মাত্র আমাদের দেশ’ই নয় বরং বিশ্বের বেশ কিছু দেশে রপ্তানি হয়। এছাড়াও এই উপজেলাতে দেশের বিভিন্ন এলাকা হতে ব্যাপারীগন এসে আমের বাগান ক্রয় করেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা আমের ব্যাপারীগন আড়তের মাধ্যমে আম ক্রয় করে দেশ-বিদেশে রপ্তানী করে থাকেন। কিন্তু বর্তমান সময়ে করোনা ভাইরাসের কারনে বিশ্বের সব দেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে শুধু তাই নয় নওগাঁ জেলা লকডাউন থাকার ফলে এলাকায় আসতে পারছেননা কোন ব্যাপারী। যার ফলে আমের বাজারজাত করা নিয়ে উৎকন্ঠায় রয়েছেন এলাকার আমচাষীগন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ৬ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে আমবাগান ছিলো। প্রতি হেক্টর জমিতে আমের ফলন হয়েছিলো ১৫ মেট্রিক টন। যার ফলে লাভবান হয়েছিলো এলাকার আমচাষীরা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ৮ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে আমগাছ লাগানো হয়েছে। যাতে করে এ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে ২ হাজার ১শ’ ৫০ হেক্টর জমি। বর্তমান সময়ে বিভিন্ন বাগানের আমগাছ গুলোতে ব্যাপক পরিমাণ আম দেখা যাচ্ছে। এই মুহুর্তে আম যাতে ঝরে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রেখে এবং অধিক ফলনের লক্ষ্যে বাগানের গাছ গুলোতে বিভিন্ন বালাইনাশক স্প্রে করা হচ্ছে।

গতবছরের ন্যায় চলতি বছরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা না দিলে আমের ফলন প্রতি হেক্টরে আবারো ১৫ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এ ব্যাপারে উপজেলার সাংবাদিক তছলিম উদ্দীন পিছলডাঙ্গা গ্রামের ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন, মাহাবুর, জবই গ্রামের শাহজাহান আলী, মহজিদ পাড়ার তরুন সহ একাধিক আমচাষীর সাথে কথা হলে তারা জানান, আগামীর সম্ভাবনায় স্বপ্ন নিয়ে বাগান পরিচর্যার করে আম রক্ষার্থে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। কোন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছরেও আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন এলাকার আমচাষীরা। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের স্থিতিকাল যদি বেড়ে যায় তাহলে বাজারজাত করা নিয়ে অনেকটাই বিপাকে পড়তে হবে বলে জানিয়েন এলাকার অধিকাংশ আমচাষী। বর্তমানে বাগানে বাগানে প্রতিটি আমের সাইজ ৫০ থেকে ৬০গ্রাম হয়েছে, পরিপক্ক আম হতে আরোও বেশ কিছু দিন লেগে যাবে। সৃষ্টিকর্তা মহামারী করোনা ভাইরাস থেকে পৃথিবীবাসীদের মুক্তি দিলে আবারো সাপাহারে আমের উৎপাদনে দেশে বিপ্লব ঘটবে। তবে ভবিষ্যতে কি হবে সে চিন্তায় এখানকার আমচাষীরা এখন অনেকটাই হতাশাগ্রস্থ্য হয়ে পড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com