শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৩২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
‘জাতির পিতার দেওয়া শিক্ষাকে পুঁজি করে মানুষের জন্য কাজ করছি’

‘জাতির পিতার দেওয়া শিক্ষাকে পুঁজি করে মানুষের জন্য কাজ করছি’

স.স.প্রতিদিন ডেস্ক ।।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসহায় ও দুস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মতো কঠিন কাজ বাস্তবায়নে নিজের জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য পরিত্যাগ করেন। মৃত্যুকে সামনে দেখেও তিনি লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি। জাতির পিতার থেকে পাওয়া সেই শিক্ষাকে পুঁজি করেই অসহায় মানুষের জন্য কাজ করছি। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিভিন্ন ভাতা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গৃহহারা বা ভূমিহীন মানুষের একটা ঠিকানা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এটা জাতির পিতার একটা স্বপ্ন ছিল। আমরা সেটা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি। ভূমিহীন মানুষকে একটা ঠিকানা দেওয়ার কাজ জাতির পিতা শুরু করেছিলেন। সেই অনুসারে আমরা বিনা পয়সায় ঘর তৈরি করে দিচ্ছি, বিনা পয়সায় ছয় মাসের খাবার দিচ্ছি। তাদের টাকা দিয়ে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করেছি।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে আমরা উদ্যোগ নিলাম, আমাদের দেশে যারা বৃদ্ধ, নির্যাতিতা তাদের ভাতা’র আওতায় নিয়ে আসার। পর্যায়ক্রমে আমরা শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ শুরু করি। সবচেয়ে অবহেলিত ছিল মুক্তিযোদ্ধারা। তাদেরও আমরা ভাতা দেওয়া শুরু করি।’ যাদের ভিটামাটি আছে কিন্তু ঘর করার টাকা নাই তাদের জন্য গৃহায়ণ তহবিল নামে একটি তহবিল করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সেখান থেকে যেকোনো এনজিও বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টাকা নিয়ে ঘর করতে পারবে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল, অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। আমরা সেটা করতে পেরেছি। অসহায় বা বৃদ্ধদের সংসারে কোনো অবস্থান থাকে না। কিন্তু তাদের নামে যদি টাকা-পয়সা যায়, হাতে যদি কিছু নগদ টাকা যায়, তাহলে পরিবার থেকে সম্মান দেবে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com