বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
জিয়াউর রহমান একজন ঠান্ডা মাথার খুনি -মির্জা আজম এমপি

জিয়াউর রহমান একজন ঠান্ডা মাথার খুনি -মির্জা আজম এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মির্জা আজম এমপি বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান এর খুনি জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান একজন ঠান্ডা মাথার খুনি। একজন খুনির কোন আদর্শ নেই। ১৫ই আগষ্টের হত্যাকান্ডের প্রধান নায়ক জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের কোন কোর্ট, কোন থানা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের মামলা নিবে না বলে আইন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। ১৫ই আগষ্ট হত্যাকান্ডের সকল খুনিদের তিনিই পূণর্বাসন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন জন্মসূত্রে পাকিস্তানি। আইএসআই এ তিনি চাকরী করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে জিয়াউর রহমান এর মুক্তিযুদ্ধের কোন চেতনা ও মূল্যবোধ ছিলো না। হাইকোর্ট জিয়াউর রহমানের ক্ষমতাকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন।তিনি বঙ্গবন্ধু কে হত্যা করার পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে ইন্ডিমিনিটি এক্ট পাশ করেছিলেন। এই খুনি ক্ষমতায় এসে সকল জায়গায় জয় বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন।
২৮ আগষ্ট শনিবার সকালে মাদারগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শোকাবহ আগষ্টের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেছে। আর তার ছেলে তারেক রহমান ও স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মিলে আওয়ামী লীগের সকল কেন্দ্রীয় নেতাদের হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিলো। ২০০৪ সালের ১৪ ই আগষ্ট হাওয়া ভবনে আওয়ামী লীগের সকল কেন্দ্রীয় নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা করেন ও পরে তা বাস্তবায়ন করেন গ্রেনেড নিক্ষেপের মাধ্যমে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু জীবন কৃষ্ণ সাহার সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ এর সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আশরাফ হোসেন তরফদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আমিন চাঁন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান বেলাল, সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী প্রমূখ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com