শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে মধুপুরে কাঠের খাইটা তৈরীতে ব্যাস্ত সময় পার করছে কারিগরগন

টাঙ্গাইলে মধুপুরে কাঠের খাইটা তৈরীতে ব্যাস্ত সময় পার করছে কারিগরগন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে ঠক ঠক শব্দেই যেন জানান দিচ্ছে আর কয়েকদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আযহা। কোরবানির পশু জবাই ও মাংস সাইজ করতে যেমন ছুরি, চাপাতি, দা-বটি অত্যাবশ্যকীয়। সেগুলো সংগ্রহ ও প্রস্তুত করে রাখতে এখন সবাই ব্যস্ত। আর এদিকে মাংসের পাশাপাশি হাঁড় কাটার জন্য যেমন কাঠের গুড়ি বা খাইটা দরকার সেসব খাইটা বানাতে ব্যাস্ত মধুপুরের রক্তি পাড়া গ্রামের খাইটা ব্যাবসায়ীগন। পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে জমে উঠে এ শিল্প। এসব খাইটা বানিয়ে সাজিয়ে রাখা হয়েছে দোকানের সামনে। আর এসব কাঠের তৈরী খাইটা বানাতে শরীর থেকে ঝরছে অবিরাম ঘাম। চোখেমুখে প্রচণ্ড ক্লান্তির ছাপ, তবুও থেমে নেই তারা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি চলছে ব্যস্ততা।

উপজেলার রক্তিপাড়া গ্রামের খাইটা বব্যাবসায়ী রহিম, শরিফ বলেন, ‘এটা আমাদের পেশা। প্রতি ঈদকে সামনে রেখে আমরা গ্রামে গ্রামে গুরে গুরে তেতুল গাছ কিনে আমরা এসব খাইটা বানিয়ে থাকি। প্রতিটি খাইটা তৈরী করা পর্যস্ত আমাদের দুই তিন শত টাকা খরচ পড়ে। আর আমরা এসব খাইটা প্রকার ভেদে চার, পাঁচ শত টাকা করে বিক্রি করে থাকি।পাইকারী দোকানদার ও খুচরা ক্রেতাদের কাছে এই সময়ে আমাদের কদর বেশ ভালই থাকে। তবে এখন করোনার প্রভাবে অন্যান্য বছরের চেয়ে কাজের চাপ একটু কম হলেও দিন দিন কাজের চাহিদা বাড়ছে। আগে এই সময়টা থেকেই চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হত। এখন আর তা হতে হচ্ছে না।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com