বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
দুর্ভোগ কেটে গেল যমুনার বালুচরের পথচারীদের

দুর্ভোগ কেটে গেল যমুনার বালুচরের পথচারীদের

ইসলামপুর প্রতিনিধি ।।
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার যমুনা নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে ধু ধু বালুচর পায়ে হেঁটে যাতায়াত ছাড়া কোন উপায় নেই। যমুনার ভরা যৌবন কিন্তু কালের বিবর্তনে তার যৌবন হারিয়ে এখন মৃত প্রায়। নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে একদিকে যেমন বাস্তুহারা করছে চরের মানুষকে অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে যমুনা মরা খালে পরিণত হচ্ছে। প্রতি নিয়তই যমুনার দুর্গম চরের মানুষদের যাতায়াতে দুর্ভোগের শেষ নেই। সদরে আসতে ধু ধু বালুর চরে ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

জানা গেছে, শুস্ক মৌসুমে বালুর চরের এই দুর্ভোগ লাঘবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আইনজীবী জামাল আব্দুন নাছের বাবুলের অর্থায়নে সবুজ মিয়ার সহযোগিতায় জনস্বার্থে বালুর চরে আখের ব্যাগাস ফেলে পানি সেচের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করায় স্বস্তি ফিরে পেয়েছে যমুনার চরাঞ্চলবাসী। যমুনার চরাঞ্চলে চারটি ইউনিয়ন সাপধরী, চিনাডুলী, বেলগাছা, নোয়ারপাড়ার প্রায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। রাস্তা নির্মাণের ফলে দুই ঘন্টার পথ এখন মাত্র ১০ মিনিটেই যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। অন্যদিকে চরাঞ্চলবাসী তাদের আবাদি কৃষিপণ্য সহজে এবং স্বল্প সময়ে বাজারজাত করতে পারছেন।

পথচারীরা জানান, প্রতিমন্ত্রী মহোদয় চরের মানুষের কথা ভেবে আখের ব্যাগ্যাস দিয়ে রাস্তা করে দেওয়ায় আমাদের যাতায়াতের সুবিধা হয়েছে।

পথচারী কাইজার মিয়া জানান, আমাদের যাতায়াতের জন্য অনেক সুবিধা হয়েছে। এই রাস্তা হওয়ায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল করতে পারে। তবে ব্যাগাস ফেলে রাস্তা নির্মাণ করায় মজুতকৃত ব্যাগাসে কে বা কারা আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে অনেকগুলো আখের ব্যাগাস পুড়ে যায়। এই শত্রুতার জন্য পথচারীরা দুঃখ প্রকাশ করেন।

চরাঞ্চলের বিদ্যালয়, মাদরাসা, হাসপাতাল, ব্যাংক-বীমা, কমিউনিটি সেন্টার, এনজিও প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মরত লোকজন প্রতিদিন চরাঞ্চলে যাতায়াত করে। এসব মানুষের যাতায়াতের রাস্তাটা হওয়ায় মোটরসাইকেলও চলে। তবে চরের অনেক মানুষ এখনও পায়ে হেঁটেই বিশাল বিশাল চর পারি দেয়।

এ ব্যাপারে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান জানান, চরাঞ্চলবাসীর দুর্ভোগের কথা ভেবেই শুস্ক মৌসুমে চলাচলের সুবিধার্থে আখের ব্যাগাস ফেলে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। যাতে তারা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com