বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১০:৫৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
নন্দীগ্রামে বাজারজাত করতে না পেরে টমেটো নিয়ে বিপাকে রুহুল আমিন

নন্দীগ্রামে বাজারজাত করতে না পেরে টমেটো নিয়ে বিপাকে রুহুল আমিন

বগুড়ার নন্দীগ্রামে দেশের চলমান পরিস্থিতিতে করোনার প্রভাবে সমগ্র বগুড়া এখন লকডাউন। এমন অবস্থায় বাজারজাত করতে না পেরে ক্ষেতে উৎপাদিত ১শ থেকে দেড়শ মন টমেটো নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক রুহুল আমিন। তার চাষ করা টমোটোগুলো বাজারজাত না করার কারনে টমেটো ক্ষেতেই পঁচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, উপজেলার ভাটগ্রাম গ্রামের মো: আয়েত আলীর ছেলে কৃষক রুহুল আমিন ২বিঘা জমি পত্তনি নিয়ে তাতে সফল ও বিপুল জাতের ৪ হাজার ৫শ টমেটোর চারা রোপন করে। কৃষক রুহুল আমিন জানান, প্রথমে তিনি টমেটোর বীজ কিনে বাড়িতেই চারা উৎপন্ন করেন। এরপর সেই চারা তিনি জমিতে রোপন করেন। প্রতি চারা খরচ হয়েছে ১০ টাকা। এছাড়াও সার ১৮ হাজার টাকা, শ্রমিক ১৫ হাজার টাকা, কীটনাশক ২৫ হাজার টাকা, জমির মুল্য ৩০ হাজার টাকা সহ আরো অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ২ বিঘা জমিতে তার প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু এযাবৎ তিনি এক লক্ষ টাকার টমেটো বিক্রি করতে পেরেছেন। এখনো পঞ্চাশ হাজার টাকা লোকশানে আছেন বলে তিনি জানান।

কৃষক রুহুল আমিন আরো জানান, করোনা ভাইরাস আসার আগে তিনি প্রতিদিন ২ বিঘা জমি থেকে ১০ মন করে টমোটো উঠতো যা বাজারে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো। কিন্তু প্রায় ১৫ দিন তিনি জমি থেকে কোন টমেটো তুলতে পারেন নি। চলমান লকডাউনের কারনে যানবাহন তেমন চলছে না যার ফলে পাইকারও আসছে না। যার কারনে টমেটো পেকে ক্ষেতেই ঝড়ে পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তার ২বিঘা জমিতে প্রায় দেড়শ মন টমেটো পঁচে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। দু‘ এক দিনের মধ্যে যদি তিনি টমেটো গুলো বিক্রি করতে না পারেন তাহলে তার প্রায় লক্ষাধিক টাকা লোকশান হবে বলে তিনি জানান।

এবিষয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুজন কুমার বলেন, কৃষক রুহুল আমিন কে কৃষি অফিস থেকে সব ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে । যার কারনে ফসল অনেক ভালো হয়েছে। টমোটো গুলো সঠিকভাবে বাজারজাত করতে পারলে কিছুটা লাভ হতো। তাকে টমোটোগুলো তারাতারি বাজারজাত করতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com