বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:২২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
মেলান্দহের নাংলা ইউনিয়নে প্রচারণা ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জননেতা এস. এম. এ হান্নান দেওয়ানী

মেলান্দহের নাংলা ইউনিয়নে প্রচারণা ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জননেতা এস. এম. এ হান্নান দেওয়ানী

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ৪নং নাংলা ইউনিয়নে আসন্ন নির্বাচনের মাঠ জরিপে বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদে এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা ও প্রচার-প্রচারণার শীর্ষে অবস্থান করছেন, জননেতা এস. এম. এ হান্নান দেওয়ানী। এদিকে তিনি সাধারণ মানুষের ভালবাসা নিয়ে ৪নং নাংলা ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ডিজিটাল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলারও প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন। জামালপুরের প্রভূত উন্নয়নের রূপকার জননেতা আলহাজ¦ মির্জা আজম এমপির হাতকে শক্তিশালী করতে তিনি নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সাবেক ছাত্রনেতা এই এস. এম. এ হান্নান দেওয়ানী সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ মেলান্দহ উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান সমন্বয়ক বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ হৃদয়ে লালন করে আসছেন। তার পিতা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তৎকালীন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের (তৎকালীন আওয়ামী মুসলিমলীগ) বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। ১৯৫২ইং সালের ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং ১৯৫৪ইং সালের তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সাধারণ নির্বাচন প্রাক্কালে যুক্তফন্ট সরকার কর্তৃক হামলা ও মামলার স্বীকার হয়ে জামালপুর মহকুমা তথা জেলার মধ্যে ১৭(সতের নং) আসামী হিসাবে তালিকাবদ্ধ করা হয়েছিল। ১৯৬০ ও ১৯৬২ ইং সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ ইং সালের ৬য় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ ইং সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ ইং সালের সাধারণ নির্বাচনসহ, ১৯৭১ ইং সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করার জন্য সক্রিয় অবদান রেখেছিলেন এবং ১৯৭৫ইং সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুসহ তার সকল পরিবারের সকল সদস্যদের হত্যার বিচারের দাবিতে মিছিল ও সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ৩রা নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে জেল হত্যার প্রতিবাদে মিছিল সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তৎকালীন চাকুরীকালীন সময়ে আওয়ামী পন্থী বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ছিলেন। বারংবার নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসাবে মনোনীত হয়ে পুরস্কার প্রাপ্ত হয়েছেন। এমনকি মেলান্দহ মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মডেল হিসাবে নামকরণের জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করার জন্য প্রশিক্ষনসহ সনদ প্রাপ্ত হন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন গুরুত্ব পালন করে সততা অর্জনে স্বাক্ষর রেখেছেন। সামাজিক, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত থেকে কাজ করেছেন।
এস. এম. এ হান্নান দেওয়ানী বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক হিসাবে লালিত হয়ে ১৯৮৬-১৯৮৭ ইং সালে মাত্র ৯-১০ বছর বয়স থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষারত অবস্থায় স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামের মিছিলে অসংখ্যবার যোগদান করেছেন। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৩ইং সালে ৪নং নাংলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬ইং সালে মেলান্দহ সরকারী কলেজের বাণিজ্য শাখার সভাপতি এবং ছাত্র সংসদ না থাকায় ছাত্র সংসদে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মেলান্দহ কলেজ শাখার ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ইং সালে জামালপুর সরকারী আশেক মাহমুদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য শাখার সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কলেজ শাখা কমিটির আপ্যায়ন ও মিলনায়তন সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৮ইং সালে মেলান্দহ পৌরসভা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৯ইং সাল থেকে ২০০২ইং সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক এর দায়িত্বে ছিলেন। ২০১২ইং সাল থেকে ২০১৫ ইং সালে ৪নং নাংলা ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সফল আহ্বায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১১ ইং সাল থেকে ২০১৭ইং সালে মেলান্দহ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন অবস্থায় জেলা যুবলীগের কাউন্সিলর হিসাবে মনোনিত হন। ২০১২ ইং সাল থেকে ২০২০ইং পর্যন্ত ৪নং নাংলা ইউনিয়নের ৬নং ওর্য়াডের সম্মানিত সদস্য ছিলেন ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ২০১৭ ইং সাল থেকে অদ্যবধি পযর্ন্ত মেলান্দহ উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ২২শে জুলাই ২০২০ইং সাল থেকে অদ্যাবধি বাংলাদেশ বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্বে আছেন এবং বৃহত্তর ময়সনসিংহ জেলা ও বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেউলাবাড়ী প্রামাণিকপাড়া সামাজিক কবরস্থানের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ধর্মীয় বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত মসজিদভিত্তিক নুরানী ও কুরআন শিক্ষা কেন্দ্রের সভাপতি হিসাবে দায়িত্বে রয়েছেন ও সাধারণ শিক্ষায় মেলান্দহ উপজেলার অন্তর্গত ২নং কুলিয়া ইউনিয়নের কুলিয়া গ্রামে উত্তর কুলিয়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে পরিচালনায় আছেন। আগামী ইউপি নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন প্রার্থী হয়ে ৪নং নাংলা ইউনিয়নের বাসিন্দাদের সেবা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, মেলান্দহ-মাদারগঞ্জবাসীর অভিভাবক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, জামালপুর-৩ আসনের বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ¦ মির্জা আজমের হাতকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আমি কাজ করে যাচ্ছি। আমি যদি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি তাহলে এই ইউনিয়নকে উপজেলার মধ্যে একটি আদর্শ ইউনিয়ন ও একটি ডিজিটাল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবো।
<!- start disable copy paste –></!->

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com