বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
ভাটারার চর হরিপুরে অসহায় পিয়ারা বেগমের ভাগ্যে জোটেনি সরকারি সহায়তা

ভাটারার চর হরিপুরে অসহায় পিয়ারা বেগমের ভাগ্যে জোটেনি সরকারি সহায়তা

পিয়ারা বেগম জ্বরজিণ এই ঘরে বসবাস করে আসছে ১৫ বছর যাবত।

মোঃ আতাউর রহমান সানি ॥
সরিষাবাড়ি উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের চর হরিপুর গ্রামের মৃত ওহেদ আলী মাষ্টারের স্ত্রী পিয়ারা বেগম (৬৫) ভাগ্য জোটেনি সরকারী কোনো সহায়তা। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর যাবৎ প্রতিবন্ধী ছেলে ফরহাদ (৩০) কে নিয়ে জ্বরজির্ণ ঘরে বসবাস করে আসছে পিয়ারা বেগম। অথচ মুজিব বর্ষে সরকার প্রতিটি ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের জন্য সরকারি ঘর দিয়েছে। কিন্তু পিয়ারা বেগমের ভাগ্যে জোটেনি সরকারি কোনো ঘর ও সরকারি ভাতা। এ বিষয়ে চান্দের হাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, পিয়ারা বেগম একটি অসহায় মহিলার নাম। সে দীর্ঘদিন যাবৎ জ¦রজির্ণ একটি ঘরে বসবাস করে আসছে। তার রয়েছে একটি প্রতিবন্ধী ছেলে ও মেধাবি একটি মেয়ে। মেয়েটি অন্যের বাড়িতে থেকে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে। পিয়ারা বেগম সরকারি কোনো সহযোগীতা কখনই পাইনি। আমরা সামাজিকভাবে চেষ্টা করেছি তাকে কিছুটা সহযোগীতা করার। আশা করি মুজিববর্ষে সরকার যখন হতদরিদ্রদের জন্য ঘর বরাদ্দ দিচ্ছে এ সময় হতদরিদ্র এই পিয়ারা বেগম ও একটি ঘর পাবে। আমরা ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার বিষয়ে খুঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে আমাদেরকে জানিয়েছেন। পিয়ারা বেগম বলেন, আমি স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে প্রতিবন্ধী এই ছেলেকে নিয়ে এই জ্বরজির্ণ ঘরে বসবাস করছি। সকলে জানলেও কেউ এগিয়ে আসেনি আমাকে সহযোগী করার জন্য। আশা করি বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার দুঃখের কথা জানতে পেরে আমাকে সহযোগী করবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com