বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি ঢলে নির্মানাধীন সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি ঢলে নির্মানাধীন সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মিজানুর রহমান: ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের তোড়ে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার আহাম্মদনগর-মোহনগঞ্জ সড়কের গজারমারী ব্রীজ সংলগ্ন নিমার্নাধীণ সড়কটি ভেঙ্গে লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে। এতে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান প্রায় ১কোটি টাকা। এত বিশাল পরিমান ক্ষতি দেখে ঠিকাদারের মাথায় হাত!

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত সপ্তাহে ভারত থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে পুরো উপজেলা প্লাবিত হয়। প্রবল বেগে আসা পানির তীব্র স্রোতের আঘাতে নিমার্নাধীণ সড়কের গাইডওয়াল, ইউড্রেন,বক্স কালভার্ট,ব্লক ভেঙ্গে লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে। সড়কে ভরাট করা প্রায় ৫০লক্ষ টাকার বালু নিমিষেই ধুয়েমুছে গেছে।

জানা গেছে, ১হাজার ৩শত মিটারের এই সড়কটির প্রাকলিত ব্যয় ৪কোটি ৬৬লক্ষ টাকা। গত ৬মাস আগে নিমার্ণ কাজ শুরু করা হয়। ইতিমধ্যে গাইডওয়াল, মাটি ভরাট, ব্লক, ইউড্রেন ও কালভার্ট সহ প্রায় ৩কোটি টাকার কাজ শেষ করা হয়েছে। কিন্তু আকস্মিক পাহাড়ী ঢলে ওই নিমার্নাধীন সড়কটি ভেঙ্গে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। এতে ক্ষতির পরিমান প্রায় ১কোটি টাকা। এত বিশাল ক্ষতির সন্মুখীণ হয়ে ঠিকাদারের মাথায় হাত!

এ ব্যাপারে উক্ত কাজের ঠিকাদার মো. আব্দুল মান্নান সোহান বলেন, “পাগলা নদীর গজারমারী বিলটি বছরের প্রায় বেশী ভাগ সময় পানি থাকে। উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে অনেক কষ্ট করে আমি উক্ত কাজের প্রায় ৭৫% কাজ শেষ করি। এমতাবস্থায় আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে আমার পুরো কাজ ঢলের পানিতে ভেস্তে গেছে। এতে ক্ষতির পরিমান প্রায় ১ কোটি টাকা। এখন সংশ্লিষ্ট দপ্তর যদি আমার প্রতি সু- নজর না দেন, তাহলে আমার পথে বসা ছাড়া কোন উপায় নেই।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতের কারণে নিমার্নাধীন সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, যেহেতু কাজটি আমাদের বুঝিয়ে দেওয়ার আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আমাদের করার কিছু নেই। তারপরেও আমি বিষয়টি আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com