শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:০২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
সরকারি আর্থিক সহযোগিতা চান জামালপুর জেলা হোটেল শ্রমিকরা

সরকারি আর্থিক সহযোগিতা চান জামালপুর জেলা হোটেল শ্রমিকরা

মোঃ সাইদুর রহমান সাদী ॥
মহামারীর চলমান লকডাউনে জামালপুর জেলার সকল খাবার হোটেল, রেস্তোরা, মিষ্টির দোকান বন্ধ থাকায় জামালপুর জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজিঃ নং-ঢাকা-৩৮৮৭) কার্ডধারী প্রায় ১৫শ হােটেল শ্রমিক কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবন যাপনের কথা ব্যক্ত করে সংবাদ সম্মেলেন করেন জামালপুর জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। গত ২৩ মে রোববার সকাল ১১টায় শহরের রেলস্টেশন রোডে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আব্দুল আওয়াল চিশতি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় করেন উপদেষ্টা এম.এইচ মজনু মোল্লা। বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত সভাপিত মোঃ স্বপন মিয়া, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোকন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, জামালপুর পৌর শহরে ছোট বড় প্রায় ১৫০টি খাবার হোটেল রয়েছে। প্রতি হোটেলে গড়ে ১০/২০জন শ্রমিক কাজ করে। চলমান লকডাউনে হোটেল খোলা রেখে পার্সেল বিক্রির অনুমতি দেয় সরকার। কিন্তু দুঃখের বিষয় জামালপুর পৌর শহরে ১৫০টি হোটেলের মধ্যে মাত্র ২০/২৫টি হোটেল খোলা রেখে মাত্র ২/৩জন করে কর্মচারী/শ্রমিক দিয়ে পার্শেল বিক্রি করা হয়। বাকী হোটেলগুলোতে পবিত্র রমাজন মাসে ও লকডাউনে লোকসানের কারণে বন্ধ রাখেন মালিক পক্ষ। ফলে প্রায় ১৫শ শ্রমিক পবিত্র রমজান মাসে অর্ধাহারে, আবার কেউ অনাহারে পরিবার পরিজন নিয়ে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করেছে। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি স্বপন মিয়া আরো বলেন, করোনা মহামারীর চলমান সময়ে ২৫০০/-টাকা করে সরকারি প্রণোদনা থেকেও হোটেল শ্রমিকরা বঞ্চিত হয়েছে। জামালপুর জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের কার্ডধারী প্রায় ১৫শজন কর্মহীন অসহায় গরিব শ্রমিকদের জরুরি ভিত্তিতে সরকারি সাহায্য/ ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা, কর্মহীন হোটেল শ্রমিকদের তালিকা মোতাবেক সরকারি প্রণোদনার ব্যবস্থা, হোটেল মালিকদের সাথে পরামর্শ সাপেক্ষে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল হোটেল, রেস্তোরা, মিষ্টির দোকান খুলে দিয়ে আগের মত শ্রমিকরা যেন নিজ নিজ কর্মরত হোটেলে কাজে যোগদান করতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলন শেষে জেলা প্রশাসক মুর্শেদা জামানের কাছে এ বিষয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন জামালপুর জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com