বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
হ্নীলায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে পানিবন্দি আশ্রিত লোকদেরকে বের করে দিলেন প্রধান শিক্ষক

হ্নীলায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে পানিবন্দি আশ্রিত লোকদেরকে বের করে দিলেন প্রধান শিক্ষক

ওসমান আল হুমাম কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি: টেকনাফ উপজেলার আওতাধীন হ্নীলা ইউনিয়নের অন্তর্গত হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে আশ্রয় নেওয়া লোকদের বের করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত তিনি মৌলভীবাজারের বাসিন্দা শিক্ষক শমশুদ্দীন। জানা যায়, আজ বিকেল ১টায় একটানা অতিবৃষ্টি হলে প্রশাসনের মাইকিং শুনে বাড়ীতে পানি উঠা লোকজন হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়ার জন্য ছুটে চলে আসে।

হঠাৎ কিছু বুঝে উঠতে না উঠতেই ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে বারবার স্কুল ত্যাগ করে চলে যাওয়ার জন্য বলে। পরে অসহায় লোকজন চলে যায়। এ ব্যাপারে অসহায় লোকজন প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছে।

ভুক্তভোগী মোঃ শফি ও আছিয়া খাতুন বলেন, আমরা বৃষ্টি বেশী হওয়ায় নিরাপত্তার জন্য পরিবারসহ মিলে এই বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিতে চলে আসছিলাম। কিন্তু প্রধান শিক্ষক আমাদেরকে থাকতে দিলেননা। অভিযুক্ত হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শমশুদ্দীন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে বললাম কয়েকদিন মানুষ আশ্রয় নেওয়াতে স্কুল একটু অপরিস্কার রয়েছে তাই আপনারা বাসায় গিয়ে মালামাল রেখে আসেন। এছাড়া যাদের ঘর একটু শুকনা আছে ওনারা চলে যান বললেন বলে তিনি জানান।

অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনাটি সত্য। তবে পানিবন্দী হওয়ার কারণে আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে চলে যেতে বলে ওনি বিরাট অন্যায় করেছে।
পরে আমি গিয়ে তালা খুলে দিয়ে কয়েকটি পরিবারকে ওখানে স্থান করে দিয়েছি।বর্তমানে সেইখানে কয়েকটি পরিবার আছে।

বিষয়টি নিয়ে এলাকায় সচেতন সমাজের কাছে নানান প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com