শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
১০ গ্রামের মানুষের নৌকাই ভরসা

১০ গ্রামের মানুষের নৌকাই ভরসা

নিজস্ব প্রতিবেদক \
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ১০ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। উপজেলার চরআমখাওয়া ইউপির সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ গ্রাম নামক স্থানে জিঞ্জিরাম নদী পারাপারে এখনও একমাত্র ভরসা নৌকা।
প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। এছাড়াও ডাংধরা ইউপির পাথরেরচর কুমারেরচর বাঘারচর মুকিরচর গ্রামের জনসাধারণ পারাপার হয়ে আসছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা সদর থেকে ৩২ কিলোমিটার দ‚রে চরআমখাওয়া ও ডাংধরা দুই ইউপির নবীনাবাদ গ্রাম, কবিরপুর, সিলেটপাড়া, মাদারচর, চেংটিমারী, চরমাদার, হরিপুর, মাস্টারপাড়া, গোয়ালকান্দা, দুই ইউপির ১০ গ্রামের আনুমানিক ২৫ হাজার মানুষের নৌকাই একমাত্র ভরসা।
যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিক যুগে এসেও স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও ছোট জিঞ্জিরাম নদীর ওপর দিয়ে পারাপারের জন্য দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ নামক স্থানে নদীর ওপর আজো কোনো সেতু হয়নি। যানবাহন চলাচলের সরাসরি কোন পথ না থাকায় স্থানীয় কৃষকরা, তাদের উৎপাদিত ধানসহ কৃষিপণ্য সামগ্রী সহজভাবে বাজারজাত করতে না পারায় ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
কৃষক মান্নান ও হাকিম জানান, ৫ মণ ধান বাজারে আনতে গাড়ি ও নৌকা ভাড়া ১৭০ টাকা লাগে। অথচ সেতু হলে খরচ হবে ২০-৩০ টাকা।
ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার সরকার বলেন, স্বাধীনতার পূর্ব থেকে এখানে নৌ- খেয়া ঘাট চলছে এবং নিশ্চিত ১০০ বছর পার হয়েছে।
সানন্দবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শরীর চর্চা শিক্ষক আশরাফ হোসেন বলেন, যুগ যুগ ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হয়ে আসছি। বছরের পর বছর কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্যসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ খেয়াঘাট নামক স্থানে একটি সেতু নির্মাণের।
উপজেলা প্রকৌশলী তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com