বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ-জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রঙিন ফুলকপি চাষ করে জীবন রাঙাতে চায় ঝিনাইগাতীর শফিকুল  ১নং কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল সফলতার সাথে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ করে আজ প্রথম বছর পেরিয়ে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কেন্দুয়া বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন কেন্দুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম খান সোহেল কুটামনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত কেন্দুয়া বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরন বকশীগঞ্জ আ.লীগ সভাপতির বাসায় দূর্ধষ ডাকাতি জামালপুরের মেষ্টা ইউনিয়নে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ধর্ষক চাচা গ্রেপ্তার জামালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩২তম বার্ষিক সদস্য সভা অনুষ্ঠিত
এইচএসসি পরীক্ষায় বসছে প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী

এইচএসসি পরীক্ষায় বসছে প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী

শেরপুর টুডে ডেস্ক: সারাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ। করোনার পরিস্থিতির কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে দেড় ঘণ্টায় হবে এবারের পরীক্ষা। এ বছর ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন। সকালে ও বিকেলে দুই ধাপে আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, পরীক্ষার প্রথমদিন সকাল সাড়ে ৯টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি রাজধানীর সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে যাবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এবার সাধারণ নয়টি শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষা দিচ্ছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন শিক্ষার্থী। তাদের ছাত্র পাঁচ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ জন। ছাত্রী পাঁচ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ জন। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষা দিচ্ছে এক লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন। তাদের ছাত্র ৬১ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৬ জন। এছাড়া এইচএসসি- বিএম/ভোকেশনাল পরীক্ষা দিচ্ছে এক লাখ ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। তাদের ছাত্র এক লাখ চার হাজার ৮২৭ জন। ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৪২ জন।

এবার সাধারণ নয়টি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। তার মধ্যে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে তিন লাখ ১৪ হাজার ৭০৪ জন, রাজশাহী বোর্ডে এক লাখ ৫০ হাজার ৭৪৫ জন, কুমিল্লা বোর্ডে এক লাখ ১৭ হাজার ৩০৯ জন, যশোর বোর্ডে এক লাখ ৩১ হাজার ১৫৯ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক লাখ এক হাজার ১০২ জন, বরিশাল বোর্ডে ৬৮ হাজার ৪৪১ জন, সিলেট বোর্ডে ৬৭ হাজার ৭৯২ জন, দিনাজপুর বোর্ডে এক লাখ ১৫ হাজার ৭৯৫ জন এবং ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৭০ হাজার ৯৩৪ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন।পাশাপাশি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে এক লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এক লাখ ৪৮ হাজার ৫০৩ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছেন। সবমিলিয়ে সারাদেশে মোট ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছেন।

এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট আগে প্রবেশ করতে হবে। কেউ যদি তার পরে আসে তবে তাকে গেটে রেজিস্ট্রার খাতায় পরিচয় ও দেরি হওয়ার কারণ উল্লেখ করে প্রবেশ করতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নপত্রের সেট নির্বাচন কেন্দ্রে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। কেন্দ্রের মধ্যে কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। শুধু কেন্দ্র সচিব মোবাইল ফোন (ছবি তোলা যায় না এমন ফোনসেট) ব্যবহার করতে পারবেন।

করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার পরীক্ষার্থীদের তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে ছয়টি পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিজ্ঞান বিভাগে এমসিকিউ ২৫টির মধ্যে ১২টির উত্তর দিতে হবে। সময় ১৫ মিনিট। তত্ত্বীয় পরীক্ষায় ৮টি প্রশ্নের মধ্যে ২টির উত্তর দিতে হবে। সময় ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। পরীক্ষার মোট সময় এক ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

মানবিক ও ব্যবসায় শাখার পরীক্ষার্থীদের এমসিকিউ ৩০টির মধ্যে ১৫টি উত্তর দিতে হবে। এ জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ মিনিট। তত্ত্বীয় ১১টির মধ্যে তিনটির উত্তর দিতে হবে। এরমধ্যে দুটি বড় প্রশ্ন। আগে লিখিত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। পরীক্ষার মোট সময় একঘণ্টা ৩০ মিনিট। এ সময়ে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজন করা হবে। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে পরীক্ষার্থীদের আসন বিন্যাস করতে হবে। অভিভাবকদের কেন্দ্রের সামনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

এ বছর বিদেশের আটটি কেন্দ্রে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। তার মধ্যে জেদ্দায় ১১৪ জন, রিয়াদে ৭৪ জন, ত্রিপলীতে দুইজন, দোহায় ৭৯ জন, দুবাইয়ে ২৬ জন, বাহরাইনে ৫৮ জন, সাহাম ও ওমানে ১৯ জনসহ মোট ৪০৬ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

এবার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেবিক্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। তাদের জন্য অতিরিক্ত ১০ মিনিট সময় বেশি দেওয়া হবে। তবে অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম, সেরিব্রাল পালসিদের ২০ মিনিট সময় বেশি থাকবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্তভাবে আয়োজন করতে আগামী ২৫ নভেম্বর থেকে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে কেউ যেন কোনো ধরনের কোচিং সেন্টার খুলে না রাখেন সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply




© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY SheraWeb.Com